ফিরছে করোনা? অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত ১, আক্রান্ত আরও ৩, হাসপাতালগুলিতে সতর্কতা
অলকেশ মাইতি, ১০ জুলাই ২০২৬: অন্ধ্রপ্রদেশের কডাপা জেলায় এক ব্যক্তি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত মাসে তাঁকে ভেলোরের CMC হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ৪ দিন চিকিৎসার পর তাঁর মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাঁর দুটি ফুসফুসই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল।
এর পাশাপাশি কডাপা ও তিরুপতি জেলায় আরও ৫টি নতুন কেস শনাক্ত হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি:
- আক্রান্ত ৪ জন : কডাপার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। RT-PCR পরীক্ষায় পজিটিভ।
- চিকিৎসা: ৩ জন বাড়িতে আইসোলেশনে। ১ জনকে কডাপার স্থানীয় হাসপাতালের কোভিড স্পেশাল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। উপসর্গ মৃদু।
- ভ্যাকসিন : ৪ জনই কোভিড ভ্যাকসিনের ২টি ডোজ নিয়েছিলেন। ১ জন বুস্টারও নিয়েছিলেন।
- প্রশাসনিক পদক্ষেপ :
- রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খোঁজ চলছে।
- এলাকা জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে।
- রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালকে ICU বেড, আইসোলেশন বেড, অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর, র্যাপিড কিট, ওষুধ রেডি রাখার নির্দেশ দিয়েছে চিকিৎসা শিক্ষা দফতর।
নতুন ভ্যারিয়েন্ট: ‘সিকাডা’ BA.3.2
গত মাসেই ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট BA.3.2 বা ‘সিকাডা’-র খবর এসেছে।
- এতে প্রায় ৭০-৭৫টি মিউটেশন আছে, বেশিরভাগ স্পাইক প্রোটিনে।
- বিশেষজ্ঞরা বলছেন উপসর্গ ওমিক্রনের মতোই।
উপসর্গগুলো কী?
জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, মাথা ব্যথা, নাক বন্ধ/নাক দিয়ে জল, শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা, বমি ভাব, ত্বকে ফুসকুড়ি।
কোভিডে মৃত্যুর হার:
সরকারি তথ্য: ২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত ভারতে প্রায় ৫.৩০ লক্ষ মৃত্যু।
WHO-র অনুমান: প্রায় ৪৭ লক্ষ।
WHO-র পরামর্শ :
আতঙ্ক নয়, সচেতনতা জরুরি। মাস্ক, হাত ধোয়া আর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত টেস্ট করানো জরুরি।
পশ্চিমবঙ্গে এই মূহুর্তে এর কোনো দৃষ্টান্ত নেই। তবে সাবধানতা আবশ্যিক!