নিজস্ব প্রতিনিধি, ১৩ জুলাই, তারকেশ্বর: রাজ্যে পালাবদলের পর এ বছরই তারকেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী শ্রাবণী মেলা পেল জাতীয় মেলার মর্যাদা। আর সেই উপলক্ষ্যেই আগামিকাল তারকেশ্বরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
১. শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
- সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণ: তারকেশ্বর মন্দির থেকে ৩ কিমি দূরে বৈদ্যপুর মাঠে বিশাল সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণ তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে ৩০ হাজার মানুষ বসে সাধু-সন্তদের কথা শুনতে পারবেন।
- সন্ত সম্মেলন: বঙ্গীয় সন্ত সমাজের ডাকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-সন্তরা যোগ দেবেন।
- সাজসজ্জা: তারকেশ্বর মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে মূল মঞ্চ। দুধপুকুর সংলগ্ন এলাকায় বসানো হয়েছে লেজার লাইট, রাস্তার দু’পাশে আলোর কল্কা।
- পরিদর্শন: প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চলছে দফায় দফায় বৈঠক।
২. কালকের কর্মসূচি কী?
- সকাল ১০টা: সাধু-সন্তরা তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন।
- এরপর: মহাদেবের ছবি রথে তুলে কলস যাত্রা করে মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে যাবেন তাঁরা।
- বেলা ৪.৩০: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তারকেশ্বরে পৌঁছবেন। তাঁর বক্তব্যের দিকেই তাকিয়ে গোটা এলাকা।
৩. এবারের বিশেষ আকর্ষণ
- সেবা শিবির: প্রধান মঞ্চের পাশেই পুণ্যার্থীদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা।
- হেলিকপ্টার থেকে ফুলবৃষ্টি: শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার পায়ে হেঁটে আসা তীর্থযাত্রীদের উপর হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করা হবে।
- মহারুদ্র যজ্ঞ: আগামী ১৫ জুলাই থেকে ৫ দিনব্যাপী তারকেশ্বর মন্দির সংলগ্ন রাজবাড়ি মাঠে মহারুদ্র যজ্ঞ।
বিধায়ক সন্তু পানের বক্তব্য
তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাহায্য, মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় নতুন করে সেজে উঠছে শ্রাবণী মেলা। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেন তার দিকে তাকিয়ে সকল এলাকাবাসী।”
জাতীয় মেলার মর্যাদা পাওয়ার পর উৎসব ঘিরে তারকেশ্বরবাসীর মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে। এখন শুধু মুখ্যমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষা।